বিবাহিত-অবিবাহিত প্রত্যেকের পড়া উচিৎ !!

শেষে বাসায় ফেরার পর আমা’র স্ত্রি প্রতিদিনের মত আমাকে নিয়ে রাতের খাবার খেতে বসলো।তখন আমি তার হাতটি জড়িয়ে ধ’রলাম এবং বললাম, “আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই।” সে আমা’র চোখের দিকে শান্ত ভাবে তাকালো… আমি বুঝতে পারছিলাম না যে তাকে আমি কথাগু’’লো কিভাবে বলবো।কিন্তু তাকে আমা’র জা’নানো উচিৎ যে, আমি তার সাথে আর সংসার ক’রতে চাই না।

আমি খুব ধীরে, শান্তভাবে বি’ষয়টি তুললাম।সে আমা’র কথায় কোনরকম বির’ক্ত প্র’কাশ না করে ধীরে ধীরে জিজ্ঞেস করল, “কেন?” আমি তার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলাম। এতে সে রেগে গেলো। টেবিলের উপর থেকে সবকিছু ছু’ড়ে ফে’লে দিয়ে চি’ৎকার করে বললো, “তুমি একটা কাপুরু’ষ।” সেই রাতে আমা’দের আর কথা হল না। সে সারা রাত নিঃশব্দে কাঁদলো।হয়তো ও বুঝার চেষ্টা করছিল কেন আমি এমনটা চাইলাম।

কিন্তু আমি তাকে বলতে পারিনি যে, আমি আর একটা মে’য়েকে ভালোবেসে ফে’লে ছি।আমি নিজেকে খুব অ’প’রাধী মনে করেছিলাম, আর ঐ অ’প’রাধবোধ নিয়েই আমি ডিভোর্স লেটার লিখলাম, যেখানে উল্লেখ ছিল, আমা’দের বাড়ি, আমা’দের গাড়ি,এবং আমা’র ব্যবসায়ের ৩০% এর মালিক সে হবে। তার হাতে কাগজটি যাওয়ার সাথে সাথে ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করে ফেললো।

যে মানুষটার সাথে আমি ১০ টা বছর সংসার করলাম, আজকে আমি তাকেই আর চিনি না। তার এতগু’’ল সময়, সম্পদ, এবং শ’ক্তি ন’ষ্ট করার জন্য আমা’র খুব খা’রাপ লাগছিলো, কিন্তু এখন আমি আর তাকে ফেরত নিতে পারবো না কারণ, আমি ফারহা’না কে ভালোবাসি। অবশেষে সে আমা’র সামনে চি’ৎকার করে কা’ন্না করে দিল, যা আমি আশা করছিলাম। আমা’র কাছে তার কা’ন্না একরকম মুত্তির চিহ্নের মত লাগছিল।

তখন মনে হচ্ছিল, এবার আমি আ’সলেও সফল। পরের দিন, আমি অনেক দেরী করে বাসায় ফিরি। দরজায় ঢু’কতেই দেখি, ও ডাইনিং রুমে টেবিলে কিছু লিখছিল। আমি আর খাবার খেতে গেলাম না এবং সরাসরি ঘু’মাতে চলে গেলাম, কারণ সারাদিন ফারহা’নাকে নিয়ে অনেক ঘুরেছি এবং এখন আমি ক্লান্ত। আমি ঘু’মিয়ে গেলাম। যখন আমা’র ঘু’ম ভা”’ঙ্গলো, তখনো ও লিখছিল।আমি গ্রাহ্য করলাম না এবং আবার ঘু’মিয়ে পরলাম।

সকালে সে আমাকে কিছু শর্ত দিল, যেখানে লেখা ছিল, “আমি তোমা’র থেকে কিছুই চাইনা, কিন্তু আ’লাদা হয়ে যাওয়ার আগে শুধু এক মাস সময় চাই। এই একমাসে আম’রা জতটুকু সম্ভব স্বা’ভাবিক জীবন জা’পন করবো, কারণ আর একমাস বাদেই আমা’দের ছে’লেটার পরীক্ষা।

ওর যাতে কোন ক্ষ’তি না হয় তাই আমি এমনটা চাইছি।” আমি মেনে নিলাম। কিন্তু সে আমা’র কাছে আরও কিছু চেয়েছিল… ও আমাকে মনে ক’রতে বললো, বিয়ের দিন আমি তাকে যেভাবে কোলে করে নিয়ে ঘরে ঢুকে ছিলাম। ও আমাকে অনুরো’ধ করলো, যাতে এই একমাস আমি তাকে প্রতি সকালে কোলে করে আমা’দের শোবার ঘর থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত নিয়ে যাই।আমি ভাবলাম, ও পা’গল হয়ে গেছে। যাই হোক, এই শেষ সময়ে যাতে আর ঝামেলা না হয়, তাই আমি তার অনুরো’ধ মেনে নিলাম।

Check Also

অবশেষে পরীমণির বিষয়ে যা বললেন প্রথম স্বা,মী সৌরভ

বর্তমান সময়ের সেরা আলোচিত জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি। আলোচনা- সমালোচনা নিয়েই তার ক্যারিয়ার। বরাবরই তিনি আলোচনায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *