লরির ভেতর থেকে ৪০ মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে একটি লরির ভেতর থেকে অন্তত ৪২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (২৮ জুন) এসব মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতরা সবাই অভিবাসনপ্রত্যাশী।স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আরও অন্তত ১৬ জনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।কেএসএটি টেলিভিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাড়িটি সান আন্তোনিওর দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে রেল সংলগ্ন এলকায় খুঁজে পাওয়া গেছে।নিউইয়ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পর থেকে গাড়ির চালক লাপাত্তা।

সান আন্তোনিওর পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে ধরতে অভিযান শুরু করেছেন।টেক্সাসের সান আন্তোনিও শহর মার্কিন-মেক্সিকান সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫০ মাইল) দূরে অবস্থিত।টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এসব মানুষের মৃত্যুর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, বাইডেনের ‘উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফলাফল’ এটি।মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো ইব্রার্ড বলেছেন নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।কীভাবে এতোগুলো মানুষ মারা গেলো তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয় এবং স্থানীয় পুলিশ এখনও প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

আরও পড়ুনঃস্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রিয়াদ হোসেন (২৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। রোববার গত (২৬ জুন) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত রিয়াদ চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের আলী আহম্মেদ মেম্বার বাড়ির দুলাল মিয়ার মেজো ছেলে।তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি ফারমে চাকরি করতেন।স্থানীয়রা জানান, সোমবার দুপুরে রিয়াদের মরদেহ তার নিজ গ্রাম ডুমুরিয়ায় আনলে মা, বাবা, স্ত্রী ও সন্তানসহ স্বজনদের আহাজারিতে বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। তার অকাল মৃত্যুতে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় স্বজনের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকেলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন করা হয়।নিহতের স্ত্রীর জান্নাত আক্তার বলেন, ‘রোববার মধ্যরাতে আমার সঙ্গে তার শেষ কথা হয়।

এ সময় রিয়াদ বলেছিল সে তার কয়েকজন বন্ধুসহ মোটরসাইকেল নিয়ে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু দেখতে যাচ্ছে। পরে রাত ৩টার দিকে অপরিচিত এক নম্বর থেকে কল দিয়ে জানায় রিয়াদ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।’রিয়াদের বাবা দুলাল মিয়া বলেন, ‘খবর পাই দুর্ঘটনায় নিহত আমার মেজো ছেলে রিয়াদের মরদেহ ঢাকার মনোয়ারা হাসপাতালে আছে। পরে সেখানে গিয়ে জানতে পারি রিয়াদ তার বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে পদ্মা সেতু দেখতে যায়।

যাওয়ার পথে রিয়াদের মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এ সময় তার বন্ধুরা দ্রুত তাকে ঢাকার মনোয়ারা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, বিষয়টি আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের এ বিষয়ে কেউ জানায়নি। জানতে পেরেছি বিকেলে নিহতের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

Check Also

জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নূপুর শর্মার: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের জন্য বিজেপির বহিষ্কৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে কঠোর ভাষায় …